At-Takwir
The Overthrowing
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
যখন সূর্যকে নিষ্প্রভ করা হবে।
আর যখন নক্ষত্ররাজি নিভে যাবে।
আর যখন পাহাড়‑পর্বতগুলোকে চলমান করা হবে। [20:105, 56:5, 78:20]
আর যখন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় সম্পর্ক উপেক্ষিত হবে। [ইশারা: আত্মীয়-স্বজন ৯:২৪; ২৬:২১৪; ৫৮:২২; ২২:১৩]
আর যখন বনের পশুগুলোকে একত্র করা হবে।
আর যখন সাগরকে প্রজ্জ্বলিত আগুনে পরিণত হবে।
আর যখন (নফস) আত্মাগুলোকে তার সঙ্গীর সাথে মিলিয়ে দেওয়া হবে।
আর যখন অন্যায়ভাবে যাকে হত্যা করা হয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
—
আর যখন কিতাব/আমলনামাগুলো খোলা হবে।
আর যখন আসমানকে স্থানচ্যুত (অথবা আবরণমুক্ত) করা হবে।
আর যখন জাহান্নামকে ভীষণভাবে প্ৰজ্জ্বলিত করা হবে।
আর যখন জান্নাতকে কাছে আনা হবে।
তখন প্রত্যেক নফস জানতে পারবে সে কী (আমল) নিয়ে উপস্থিত হয়েছে!
আমি শপথ করছি (সময়,গ্রহ,নক্ষত্র এমন সব কিছুর) যা পেছনে সরে যায়।
যখন তা যেতে যেতে শেষ হয়ে আসে।
আর রাতেরও শপথ, যখন তা শেষ হয়।
আর ভোরবেলার কসম! যখন তা উদয় হতে থাকে।
নিশ্চয়ই এ কুরআন, এক সম্মানিত রাসূলের বাণী। [44:58, 69:40]
যে শক্তিশালী, আরশের অধিপতির কাছে মর্যাদাসম্পন্ন।
যাকে সেখানে মান্য করা হয় এবং (আল্লাহর) বিশ্বস্থ-বিশ্বাসভাজন।
আর তোমাদের সাহাবী পাগল নয়।
আর সে তাকে সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে।
আর সে তো গায়েবের বিষয় সম্পর্কে কৃপণ নয়।।
আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের বাণী নয়।
তাহলে তোমরা কোথায় যাচ্ছ?
এ কুরআন তো সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য জিকির-উপদেশ।
তার জন্য- যে তোমাদের মধ্যে (জান্নাতে যাওয়ার) সরল সঠিক পথে চলতে চায়। [1:5]
আর তোমরা ইচ্ছা করতে পার না, যদি না সমগ্র বিশ্ব জাহানের রব আল্লাহ ইচ্ছা করেন। [4:88, 74:56, 76:30]